।।লুবনা ইয়াসমিন।।
![]() |
ফ্রান্সে প্রকাশিত বাংলা ওয়েবজিন। প্রকাশক : প্যাট্রিসিয়া গিদাস, ভ্যান, ৫৬০০০, ব্রিটানি, ফ্রান্স। সম্পাদক : নাসরিন-জয়া হক, চয়ন খায়রুল হাবিব। Contact : choygypsy@yahoo.com
।।রাদ আহমদ।। গোলাপকে যে নামেই ডাকো, সে গোলাপই। প্রাককথন : ১৯৯৭-২০০২ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনার সময় ঘটনাক্রমে একজন সিনিয়ার ভাইয়ের মারফতে র...
।।লুবনা ইয়াসমিন।।
![]() |
।।বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়।।
আমি একাই রাঁধছি , রান্নার সময় কাছে কেউ থাকে আমি পছন্দ করিনে। রান্নার আগে একবার চা করে খেলাম। পরের তৈরি চা খেয়ে তৃপ্তি পাইনে। রান্না করতে রাত হয়ে গেল। রাত সম্পূর্ণ অন্ধকার। একটু জিরিয়ে তামাক খেয়ে নিয়ে ভাত বেড়ে নিলাম হাড়ি থেকে আঙট-কলার পাতে। তারপর খেতে বসবার সঙ্গে সঙ্গেই মনে হোল ছাদে আমি একা নেই ।
।।সিরাজাম মুনীর শ্রাবন।।আলিমুর রাজি রানা।।
চা বাগানে কর্মরত শ্রমিক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের জীবন অন্যান্য বাংলাদেশিদের চেয়ে আলাদা। মূলগত দিক থেকে তারা বাংলাদেশি নয়, চা বাগানের বাইরে তাদের কোনো জায়গা জমি নেই, চা বাগানের বাইরে তাদের কোনো আত্মীয় স্বজন নেই।
।।সারা যাকের।।বাবলী হক।।রাদ আহমদ।।
।।রফি হক।। রতন সরকার।। দিলরুবা পাপিয়া।।
।।মুরাদ শিকদার।। নিরাময়ী চক্রবর্তি।। শামীমা জাহিদ প্রীতি।।
শিশির রহমান, পারভীন পারু, জুনাইদ ইউসুফ,
রাবিউল মাহমুদ ইয়াং, সঙ্গীতা চৌধুরী, চয়ন খায়রুল হাবিব
।।রুথ বের্নহার্ড।।ইমোজেন কানিংহাম।।সান্দ্রো বত্তিচেল্লি।।
।।পল সেজান।।রনোয়া।।ফ্রিদা কাহলো।।
।।অমৃতা শেরগিল।।ভূপেন খাখার।।
![]() |
| ইমোজেন কানিংহাম |
নগ্নতার নৃতত্ত্ব
নৃতত্ত্ববিদরা মনে করে, আদিম মানুষ নগ্ন অবস্থায় থাকত। তবে সাম্প্রতিক গবেষণা থেকে জানা যায় যে সম্ভবত ৭২,০০০ বছর আগেই মানব সমাজে নগ্নতা নিবারণের জন্য পোশাকের ব্যবহার শুরু হয়। বাইবেলে বর্ণিত আদম ও ইভের উপাখ্যান অনুযায়ী, ঈশ্বর প্রথম নর ও নারীকে নগ্ন অবস্থায় সৃষ্টি করেছিলেন; এবং নগ্নতার জন্য তাদের মনে কোনো লজ্জা ছিল না। পরে শয়তান কর্তৃক প্ররোচিত হয়ে ঈশ্বরের আজ্ঞা লঙ্ঘন করে তারা যখন জ্ঞানবৃক্ষের ফল ভক্ষণ করে, তখন তাদের জ্ঞানচক্ষু উন্মীলিত হয় এবং নিজেদের নগ্ন দেখে তারা লজ্জিত হয়ে পড়ে।
।।আশরাফ রোকন।।চয়ন খায়রুল হাবিব।।শৈবাল মাহমুদ।।
![]() |
| কবি আওলাদ হোসেন |
বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীর বিয়ে হয়েছিল মৈত্রেয়ী দেবীর কোলকাতা বাসাতে!
![]() |
| বঙ্গবন্ধুর সাথে দেখা করতে এসে মৈত্রেয়ী দেবী তাকে রবীন্দ্রনাথের একটি মূল পান্ডুলিপি উপহার দেন। ২১/০১/১৯৭২ |
মৈত্রেয়ী দেবী (১৯১৪-৯০) এত রক্ত কেন? নামে একটি বই লিখেছিলেন, সে-বই কলকাতায় প্রকাশ পায় ১৯৮৫-এর আগস্টে। রবীন্দ্রনাথের (১৮৬১-১৯৪১) রাজর্ষি (১২৯৩) আখ্যানে হাসি নামের একটি ক্ষুদ্র বালিকা মন্দিরে পশুবলির ‘রক্তস্রোতের রেখা’ লক্ষ করে সবিস্ময়ে রাজাকে প্রশ্ন করে, ‘এত রক্ত কেন!’ এই প্রশ্ন রাজার মনেও জাগে অভিন্ন কাহিনির ভিন্ন প্রেক্ষাপটে – রবীন্দ্রনাথের বিসর্জন (১২৯৭) কাব্যনাটকে। এখানে মন্দিরে বলির রক্তদর্শনে ব্যথিত-বিমর্ষ রাজার কম্পিত কণ্ঠে উচ্চারিত হয় : ‘এত রক্ত কেন’ – ‘এত ব্যথা কেন’! প্রাণিহত্যার এক হৃদয়হীন নির্মম প্রথার বিপক্ষে মানবিক প্রতিবাদের চেতনাই মৈত্রেয়ী দেবী তাঁর গ্রন্থনাম হিসেবে গ্রহণ করেছেন – যে-পটভূমিতে এই বইটি রচিত সেখানেও মানবরক্তের ধারা একটি শ্যামল দেশের মাটিকে রঞ্জিত করেছে। তাই ভিন্ন তাৎপর্যে সার্থক এই নামকরণ।
শামসুজ্জামান খান। মনসুর মুসা। মোহাম্মদ আজম।
আহমেদ শামীম। চয়ন খায়রুল হাবিব।
‘বাংলা একাডেমির আধুনিক বাংলা অভিধানে প্রথম বানান হিসাবে 'ঈদ' এবং বিকল্প বানান 'ইদ' দেয়া আছে। প্রথম বানানটি প্রচলিত; ২য় বানানটি সংস্কারকৃত। কোনো মানুষ দীর্ঘকাল কোনো বানান ব্যবহার করলে তা ঐতিহ্যে পরিণত হয়ে যায়। 'ঈদ' বানানটি তেমনি। অতএব, দুটি বানানই ব্যবহার করা যায়।সমস্যা হলো আরবি ব্যাকরণ আর বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম এক নয়। আরবি ব্যাকরণের নিয়ম এক্ষেত্রে মানলে বহু ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দেবে।’
শামসুজ্জামান খান, সাবেক সভাপতি, বাংলা একাডেমি।২০১৭।