নগ্নতার নৃতত্ব : লেন্সে, তুলিতে, দ্বিধায়

।।রুথ বের্নহার্ড।।ইমোজেন কানিংহাম।।সান্দ্রো বত্তিচেল্লি।।পল সেজান।।রনোয়া।।

।।ফ্রিদা কাহলো।।অমৃতা শেরগিল।।ভূপেন খাখার।।

ইমোজেন কানিংহাম

নগ্নতার নৃতত্ত্ব

নৃতত্ত্ববিদরা মনে করে, আদিম মানুষ নগ্ন অবস্থায় থাকত। তবে সাম্প্রতিক গবেষণা থেকে জানা যায় যে সম্ভবত ৭২,০০০ বছর আগেই মানব সমাজে নগ্নতা নিবারণের জন্য পোশাকের ব্যবহার শুরু হয়। বাইবেলে বর্ণিত আদম ও ইভের উপাখ্যান অনুযায়ী, ঈশ্বর প্রথম নর ও নারীকে নগ্ন অবস্থায় সৃষ্টি করেছিলেন; এবং নগ্নতার জন্য তাদের মনে কোনো লজ্জা ছিল না। পরে শয়তান কর্তৃক প্ররোচিত হয়ে ঈশ্বরের আজ্ঞা লঙ্ঘন করে তারা যখন জ্ঞানবৃক্ষের ফল ভক্ষণ করে, তখন তাদের জ্ঞানচক্ষু উন্মীলিত হয় এবং নিজেদের নগ্ন দেখে তারা লজ্জিত হয়ে পড়ে।

একটি মৃত্যু সংবাদ এবং তুলনামূলক কাব্য বিচার

।।আশরাফ রোকন।।চয়ন খায়রুল হাবিব।।শৈবাল মাহমুদ।।

কবি আওলাদ হোসেন

চলে গেলেন কবি আওলাদ হোসেন। প্রকৃত এক কবির পথিকৃৎ। ময়মনসিংহে থাকাকালীন অনেকবার আওলাদ ভাইয়ের সান্নিধ্যে আসার সুযোগ হয়েছিলো। চরম আড্ডাবাজ ছিলেন। তাঁকে নিয়ে ব্রহ্মপুত্রের এপাড় ওপাড় অনেক অনেক গ্রামে, দরবারে, রওজায় মজমা দেয়ার স্মৃতি আছে। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কুঁড়েবাড়িতে তাঁর শেষ আবাস হয়েছিলো সেখানেও গিয়েছি কয়েকবার।

চায়ের পেয়ালায় আইলা, সিডর!

।।তৃণা রাব্বানি।।

ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজের পাঁশে চায়ের স্টল।
ফটোগ্রাফি, অভিজিৎ।মডেল, জান্নাতুর নাহার।

এটা কিন্তু মজা হবে ছাতার কাপড়ে শিল্পকর্ম হলে তাতে শরিফের ছাতা কোম্পানির স্পন্সরশীপ, গরু, ছাগলের চামড়াতে কারুশিল্প হলে তাতে বাটা কোম্পানির স্পন্সরশীপ। য্যামনটা চায়ের লিকারে ছবি আকলে চা কোম্পনির স্পনসরশিপ। রিক্সা পেইন্টে শিল্পকর্ম হচ্ছে প্রচুর, তবে সেরকম একটা বড়সড়ো রিক্সাওয়ালা কর্পোরেশান এখনো তৈরি হয় নি।

এত রক্ত কেনো ?

বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীর বিয়ে হয়েছিল মৈত্রেয়ী দেবীর কোলকাতা বাসাতে!

বঙ্গবন্ধুর সাথে দেখা করতে এসে মৈত্রেয়ী দেবী
তাকে রবীন্দ্রনাথের একটি মূল পান্ডুলিপি উপহার দেন।
২১/০১/১৯৭২

মৈত্রেয়ী দেবী (১৯১৪-৯০) এত রক্ত কেন? নামে একটি বই লিখেছিলেন, সে-বই কলকাতায় প্রকাশ পায় ১৯৮৫-এর আগস্টে। রবীন্দ্রনাথের (১৮৬১-১৯৪১) রাজর্ষি (১২৯৩) আখ্যানে হাসি নামের একটি ক্ষুদ্র বালিকা মন্দিরে পশুবলির ‘রক্তস্রোতের রেখা’ লক্ষ করে সবিস্ময়ে রাজাকে প্রশ্ন করে, ‘এত রক্ত কেন!’ এই প্রশ্ন রাজার মনেও জাগে অভিন্ন কাহিনির ভিন্ন প্রেক্ষাপটে – রবীন্দ্রনাথের বিসর্জন (১২৯৭) কাব্যনাটকে। এখানে মন্দিরে বলির রক্তদর্শনে ব্যথিত-বিমর্ষ রাজার কম্পিত কণ্ঠে উচ্চারিত হয় : ‘এত রক্ত কেন’ – ‘এত ব্যথা কেন’! প্রাণিহত্যার এক হৃদয়হীন নির্মম প্রথার বিপক্ষে মানবিক প্রতিবাদের চেতনাই মৈত্রেয়ী দেবী তাঁর গ্রন্থনাম হিসেবে গ্রহণ করেছেন – যে-পটভূমিতে এই বইটি রচিত সেখানেও মানবরক্তের ধারা একটি শ্যামল দেশের মাটিকে রঞ্জিত করেছে। তাই ভিন্ন তাৎপর্যে সার্থক এই নামকরণ।

ইদ করলে ঈদের আনন্দ মাটি হবে না!

শামসুজ্জামান খান। মনসুর মুসা। মোহাম্মদ আজম।

আহমেদ শামীম। চয়ন খায়রুল হাবিব।


 



‘বাংলা একাডেমির আধুনিক বাংলা অভিধানে প্রথম বানান হিসাবে 'ঈদ' এবং বিকল্প বানান 'ইদ' দেয়া আছে। প্রথম বানানটি প্রচলিত; ২য় বানানটি সংস্কারকৃত। কোনো মানুষ দীর্ঘকাল কোনো বানান ব্যবহার করলে তা ঐতিহ্যে পরিণত হয়ে যায়। 'ঈদ' বানানটি তেমনি। অতএব, দুটি বানানই ব্যবহার করা যায়।সমস্যা হলো আরবি ব্যাকরণ আর বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম এক নয়। আরবি ব্যাকরণের নিয়ম এক্ষেত্রে মানলে বহু ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দেবে।’

শামসুজ্জামান খান, সাবেক সভাপতি, বাংলা একাডেমি।২০১৭।

বৈবাহিক বানরকুল এবং বিবর্তনের ডুগডুগি

।।তৃণা রাব্বানি।।লুৎফর রহমান বাবু।।


সনাতন কি?

হেটেরোনর্ম্যাটিভ ডুগডুগি বাজানো কনভেনশনাল ম্যারিডেরা মানবিক বিবর্তনে কিভাবে বাধা দেয়?
হেটেরোনর্ম্যাটিভ, আর কনভেনশনাল ম্যারিড নারী, পুরুষ কি আসলে চাইলেও লিবারাল/উদারনৈতিক, নারীবাদী, সমাজতন্ত্রী, বিপ্লবী এসব হতে পারে?এরাতো ঘুরে ফিরে যা করে তার পুরোটাই স্বামী, স্ত্রী, সন্তানের জন্য করে।স্বামী, স্ত্রী, সন্তানের বাইরে যেটুকু করে সেটাও স্বামী, স্ত্রী, সন্তানের প্রতিক্রিয়া থেকে করে।

রবীন্দ্র দর্পণে সামরিক শাসন

জালিয়ানওয়ালাবাগ থেকে রাশিয়ার চিঠি

।।লুবনা ইয়াসমিন।।

জালিয়ানওয়ালা বাগ গনহত্যা স্মৃতিসৌধ।অমৃতসর।

সাহিত্যের নন্দন বনাম বুলেটের বণ্টন : 
রাজ শাসনের শেষ পর্যায়ে ব্রিটিশ সরকার ভারতের বিভিন্ন এলাকায় সামরিক শাসন জারি করেছিল।জালিয়ানওয়ালা বাগে জেনারেল ডায়ারের আদেশে নিরস্ত্র জনতার সমাবেশে গণহত্যার প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নাইটহুড প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। তাশের দেশ রূপকধর্মী হলেও, এ নাটকেও রবীন্দ্রনাথের ছাচে ফেলা গা জওয়ারি শিক্ষা বা রেজিমেন্টেশান বিরোধিতা প্রকাশ পেয়েছে,

রবীন্দ্র বিচিত্রা

।।গগন হরকরা।।ফারজানা আফরিন।।বাবলী হক।।লুবনা ইয়াসমিন।।
।।তামজিদ নওরিন পূর্ণি।।তাপস বন্দোপাধ্যায়।।সুধীর চক্রবর্তি।।
।।কিশোর কুমার।।অমর পাল।।কামাল আহমেদ।। 


গগন হরকরার খোজে!

ফারজানা আফরিন

আমি কোথায় পাবো তারে আমার মনের মানুষ যে রে ........রবীন্দ্রনাথ জাতীয় সংগীত রচনা করেছিলেন, বাংলাদেশের বাচ্চা থেকে শুরু করে আবাল বৃদ্ধি বনিতা যারা একবার হলেও আমার সোনার বাংলা গেয়েছেন তারা জানেন আমাদের জাতীয় সংগিতের রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কিন্তু অধিকাংশ মানুষই জানেনা যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি এই গানটি কুষ্টিয়ার বাউল শিল্পী গগণ হরকরার এর আমি কোথায় পাবো তারে আমার মনের মানুষ যে রে এর সুরের অবলম্বনে লিখেছিলেন।

আগুন পাখি, কবিতা সিরিজ

।।নভেরা হোসেন।।


.

তোমার জানালায় কৃকলাস ম্রিয়মাণ

জলপাই গাছ, সকালের রোদ, শিশুর চিৎকার

ছিঁড়ে ফেলছে কুয়াশাচ্ছন্ন রাতের পৃথিবীকে,

তিন ঢাকাইয়ার কাসিদা

শামসুর রাহমান, লাকি আখন্দের সাথে  বিদায় সাক্ষাৎ

।।চয়ন খায়রুল হাবিব।।

বাম থেকে, লাকি আখন্দ, শামসুর রাহমান, চয়ন খায়রুল হাবিব।শ্যামলি, ১৯৯৩।

কৈশোরের ঢাকা নিয়ে শামসুর রাহমানের স্মৃতিকথার শিরোনাম ছিলো স্মৃতির শহর।একই শিরোনামের একটি দীর্ঘ কবিতা নিয়ে পরে সুনীল গাঙ্গুলির একটি বই বেরিয়েছিল।সে হিশেবে ঢাকা নিয়ে নব্বই দশকের এ স্মৃতিচারণের শিরোনাম হতে পারে 'স্মৃতির শহর ৩'।আবার যাদের নিয়ে এই কথন, তাদের সবাই আজন্ম ঢাকার বাসিন্দা হওয়াতে এই লেখার নাম হতে পারে 'তিন কুট্টির কাসিদা'!