ফ্রান্সে প্রকাশিত বাংলা ওয়েবজিন। প্রকাশক : প্যাট্রিসিয়া গিদাস, ভ্যান, ৫৬০০০, ব্রিটানি, ফ্রান্স। সম্পাদক : নাসরিন-জয়া হক, চয়ন খায়রুল হাবিব। Contact : choygypsy@yahoo.com

Showing posts with label ঢাকা. Show all posts
Showing posts with label ঢাকা. Show all posts

Tuesday, September 26, 2023

বজলে মওলা : ঢাকা আর্ট স্কুলের প্রথম ছাত্রদের একজন

।।কুদরত-ই-মওলা।।


রাণী এলিজাবেথ ঢাকা এলে (১৯৬১), ঢাকাবাসীর পক্ষ থেকে তাকে দেয়া মাণপত্র লেখার দায়িত্ব পান বজলে মওলা ।

বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যে চারুকলা অনুষদ, ১৯৪৮ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের নেতৃত্বে তার গোড়া পত্তনি হয়েছিল পুরান ঢাকার জনসন রোডে সরকারি পরিত্যাক্ত হাসপাতাল ভবনের কয়েকটি ঘরে, নাম দেয়া হয়েছিল, 'ঢাকা আর্ট স্কুল'।

Thursday, September 14, 2023

৮০ দশক : ঢাকা কেন্দ্রীক কয়েকজন কবির কবিতা নিয়ে ভাবনা

 ।।রাদ আহমদ।।


গোলাপকে যে নামেই ডাকো, সে গোলাপই।
প্রাককথন :

১৯৯৭-২০০২ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনার সময় ঘটনাক্রমে একজন সিনিয়ার ভাইয়ের মারফতে রিফাত ভাই (রিফাত চৌধুরী) সম্পাদিত কিছু পত্রিকা দেখতে পাই আমাদের ইনস্টিটিউটের ক্যান্টিনের টেবিলের উপরে জ্বল জ্বল করতেছে এক দুপুরবেলা। 

Saturday, February 13, 2021

জজ সাহেবের টেরি মাইয়া পেখম মেইলাছে!

ঢাকা শহরের গল্পগাঁথা, কবিতাকথা : 

ইয়ে কালুম্বো সাহিব কা মাকবারা, কাম্পানিকা নাউকার!

।।লুবনা ইয়াসমিন।।

নাগাফোন ঘাট, নারিন্দা, ঢাকা, ১৭৮৭।ইয়োহান ইয়োফানির আকা কলুম্বো সাহিবের স্মৃতিসৌধ ।
নাসরিন-জয়া বলেছে, তরঙ্গে লিখতে।পেটের দায়ে কাজ করছি ঢাকাতে শিল্পাঞ্চল বিকাশ নিয়ে।২০২০এ, কোভিড এর জন্য আর যাওয়া হয় নি, জুম দিয়ে সেরেছি।বেরসিক উপাত্ত, পরিসংখ্যানে ঠাসা কাজ।ফাকে ফাকে পড়ছি ঢাকা নিয়ে লেখা পুরনো বই পত্র।সেসব মিলিয়ে তরঙ্গে যা দেবো, তার শিরোনাম হবে, জজ সাহেবের টেরি মাইয়া পেখম মেইলাছে!একটু আগোছালো লেখাটিতে প্রথমবার অল্প করে লিখছি ঢাকাইয়া কুট্টি ভাষার উদ্ভব,  জার্মান নিও ক্লাসিকাল পেইন্টার ইয়োহান ইয়োফানির ১৮ শতকের ঢাকা ভ্রমনের সময় আকাআকি, কালুম্বো সাহিবের মাকবারা বা স্মৃতিসৌধ এবং রমনা পার্ক ও রমণের সম্পর্ক নিয়ে।

Thursday, February 11, 2021

রাজকুমারীর নিহত চোখের কাজল

।।মাহবুব শাহরিয়ার।।


পৃথিবীর সব ফুল এখনো ঝরে নাই, সবে শুরু। এখনো রবি শংকর আর আলি আকবর খানের যুগলবন্দী শেষ হয় নাই, চলে যাচ্ছে। শ্রুতিমধুর ডাটা থেকে নিংরে দিচ্ছে রস, বেখেয়ালে হারিয়ে যাচ্ছে শহর। একটু একটু করে সব রঙ হারানোর অপেক্ষায় কিছু মৃতপ্রায় দেয়াল কোণঠাসা,ভীত, মুমূর্ষু তবু নিজ নিজ ইতিহাসের পুথি মেলে আছে। সেই কবে পা পিছলানো কিশোরির অভিমান , এখনো পুথি তে লিখে রেখেছে সময়। কোনো কোনো দেয়ালে পেয়ারা গাছের আদর ঝুলে থাকে, নাকি নেই ! যে পেয়ারার কামড়ের ভেতরে লুকানো লাল শরীরে গাঁথা নরম বিচির সারি। কে খোজে , কে খোজে সেই সময় আরাধনার!

জার্নাল : মেট্রোরেল

।।অমিতাভ পাল।।

লেয়া গ্লিকম্যান।ঢাকা, ইবাদতকারীদের ভিড় ও ট্রাফিক জ্যাম।

ঢাকার জ্যাম আর ভালো লাগে না আজকাল। সামান্য দূরত্বেও এতো এতো সময় খরচ হয়ে যায়, এতো এতো স্থবিরতা- আমার অসহ্য লাগে। হয়তো বৌদ্ধভিক্ষু হলে এই স্থবিরতাকে নির্বাণ ভেবে শান্তি পেতাম, হয়তো যেকোন সময় যেকোন জায়গায় ঘুমিয়ে পড়ার অভ্যাস থাকলে ঘুমিয়ে পার করে দিতাম সময়ের গিঁটগুলি। কিন্তু এর কোনটাতেই নিমগ্ন হওয়া হয় না আমার ফলে মহাশূন্যযানের মধ্যে মহাশূন্যচারীর মতো আটকে থাকতে হয়।

Monday, January 11, 2021

এই শহরের হাওয়া বিবি এবং আবদ্ধ আলিঙ্গনের গল্প

।।২২তম নবীন শিল্পী চারুকলা প্রদর্শনী- ২০২০, ঢাকা।।


দিলরুবা পাপিয়ার জার্নাল :

গত ২৮ ডিসেম্বর শিল্পকলা একাডেমিতে "২২ তম নবীন শিল্পী চারুকলা প্রদর্শনী- ২০২০" দেখতে গিয়েছিলাম।একাডেমির গেইটে নেমে অভ্যাস অনুযায়ী, চারুকলার ছাত্র- ছাত্রীদের এই অভ্যাসটি বোধ হয় একটু বেশি, প্রথমেই গেইটের সাজসজ্জার ছবি তুলে নিলাম।

Saturday, November 21, 2020

অন্যরকম ঈদ। ২০২০।

।।বাবলী হক।।

উর্দু রোডের বাসায় ভাই বোনদের সাথে বাবলী হক, ষাটের দশক।

"ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ।"
এবার ঈদ এলো কিন্তু খুশি এলো না। এলো ভয়, আতঙ্ক, আশঙ্কা, লক ডাউন, দুঃসংবাদ আর কষ্ট। এই ব্যাতিক্রমী ঈদে করোনা ভাইরাসের সতর্কতায় শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে গিয়ে আপনজনদের কাছ থেকে আজ কতটা দিন দূরে সরে আছি!

Wednesday, November 18, 2020

করোনা ভাইরাস ও সুদের হার

।।খায়রুল আলম চৌধুরী।।


গাড়ির চাকা নষ্ট হয়ে গেছে। বদলাতে হবে। বসন্তের শেষ দুপুর। বেলা পড়ে এসেছে। বিকাল জুড়ে ছড়িয়ে আছে মরা রোদ। রাস্তার পাশেই টায়ারের দোকান। মহাজনের বয়স পঞ্চাশের কাছাকাছি হবে।শশ্রুমন্ডিত হাসিমাখা চেহারা। দেখলে মনে হয় কত দিনের পরিচিত! দেখার সাথে সাথেই আমাকে যত্ন করে বসতে দিলেন।

মাস্ক, সাবান, সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং, লকডাউন

।।অমিতাভ পাল।।

করোনা মহামারী আমাকে নাজেহাল করে ফেলেছে।

যখন মহামারী ছড়িয়ে পড়ার খবরটা প্রথম শোনা গিয়েছিল, টেলিভিশনে পত্রপত্রিকায় যখন একটু একটু করে মুখ দেখাচ্ছিল ভাইরাসটা, ব্যাটা বেশ দূরে আছে ভেবে খুব একটা দুঃশ্চিন্তায় ছিলাম না। তারপর যখন একদিন শুনলাম ভাইরাসটা ঢুকে পড়েছে আমাদের দেশেও, পত্রপত্রিকা টেলিভিশনে হাজির হচ্ছেন কপালে ভাঁজ ফেলা চিন্তাক্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা- একটু আদটু চিন্তা ঢুকলো আমার মনেও।